Class 8 Bengali chapter 31 সুভা

সুভা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

লেখক পরিচিতি

১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহন করেন। ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত “ভারতী” ও “বালক” পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন। দীর্ঘ জীবনে তিনি অজস্র কবিতা, গান, ছোটোগল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ লিখেছেন। ১৯১৩ সালে Song Offerings (গীতাঞ্জলি) – এর জন্য এশিয়ার মধ্যে তিনিই প্রথম নোবেল পুরস্কার পান। ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত তাঁর রচনা।

 

সারাংশ

এই গল্পে রবীন্দ্রনাথ বাণীকন্ঠের কণিষ্ঠা বোবা কন্যা সুভাষিণীকে আশ্রয় করে রবীন্দ্রনাথ এক বিমূর্ত যন্ত্রনার অব্যক্ত অভিব্যক্তিকে প্রকাশ করেছেন। এই গল্পে দেখা যায় বাবা তার অন্য দুটি মেয়ে সুকেশিনী ও সুহাসিনীর সঙ্গে নামের মিল রেখে ছোটো মেয়ের নাম রাখে সুভাষিণী, কিন্তু সে বোবা। তাই অন্য মেয়েদের বিয়ে হলেও সুভাষিণীর জন্য পাত্র পাওয়া যায়না। মা সুভাষিণীর প্রতি বিরাগভাজন হলেও পিতা তাকে খুব ভালোবাসতেন। বাংলাদেশের একটি ছোটো নদীতীরস্থ গ্রাম চন্ডীপুরে সুভার পিতা বাণীকন্ঠের ঘর ছিল। এখানে নদীর কলতান, মাঝির গান, পাখির ডাক যেন এই বোবা মেয়েটির হয়ে কথা বলে। সর্বশী ও পাঙ্গলি নামক গোয়ালের দুটি গাভি ছিল সুভার অন্তরঙ্গ বন্ধু। ক্রমে সুভা বড়ো হল। কন্যাভারগ্রস্থ পিতামাতা সমাজে নিজেদের অবস্থান যথাযথ রাখতে কিছুদিনের জন্য কলকাতায় গেল। সেখানে সুভাকে পাত্র দেখতে এল। পাত্র সুভার বাকশক্তিহীনতার কথা না জেনেই তাকে পছন্দ করল। পঞ্জিকামতে শুভলগ্নে তাদের বিবাহ হল। পিতা-মাতা বোবা মেয়েকে অন্যের হাতে দিয়ে কন্যাদায় থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে গেল। কিন্তু কিছুদিন পরে সুভার বর তার এই অক্ষমতার কথা জেনে দ্বিতীয়বার এক ভাষাবিশিষ্ট কন্যা বিয়ে করে আনল।

 

হাতে কলমে

১.১ জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত কোন পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ নিয়মিত লিখতেন?

উত্তরঃ- জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত ‘ভারতী’ ও ‘বালক’ পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ নিয়মিত লিখতেন।

১.২ ভারতের কোন প্রতিবেশী দেশে তাঁর লেখা গান জাতীয় সংগীত হিসাবে গাওয়া হয়?

উত্তরঃ- ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশে তাঁর লেখা গান জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়। গানটি হলো—’আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’

২. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাওঃ

২.১ সুভার প্রকৃত নাম কী?

উত্তরঃ- সুভার প্রকৃত নাম সুভাষিণী।

২.২ সুভার বাবা কে?

উত্তরঃ- সুভার বাবা বাণীকণ্ঠ।

২.৩ সুভা কোন গ্রামে বাস করত?

উত্তরঃ- সুভা চন্ডীপুর গ্রামে বাস করত।

২.৪ গল্পে সুভার কোন কোন বন্ধুর কথা রয়েছে?

উত্তরঃ- গল্পে সুভার অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে রয়েছে গোয়ালের দুটি গাভী – সর্বশী আর পাঙ্গুলি, এছাড়া ছাগল এবং বিড়ালশাবক।

২.৫ কে সুভাকে ‘সু’ বলে ডাকত?

উত্তরঃ- গোঁসাইদের ছোটো ছেলে প্রতাপ সুভাকে ‘সু’ বলে ডাকত।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাওঃ

৩.১ ‘সে নির্জন দ্বিপ্রহরের মতো শব্দহীন এবং সঙ্গীহীন’—সুভা সম্পর্কে এ রকম উপমা লেখক ব্যবহার করেছেন কেন?

উত্তরঃ- সুভা কথা বলতে পারত না। ফলে সাধারণ ভাষাবিশিষ্ট মানুষের সঙ্গে তার বন্ধুত্বও তৈরি হয়নি। তাই তার সম্পর্কে লেখক এইরকম উপমা ব্যবহার করেছেন।

৩.২ চণ্ডীপুর গ্রামের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ- চণ্ডীপুর গ্রামটি একটি ছোটো নদীর পাড়ে, বাংলাদেশে। নদীর দুইতীরে লোকালয় এবং গাছপালায় ভরা। নদী খাতটি থেকে গ্রামটি একটু উঁচুতে। নদীর স্রোতধারায় যেন গ্রামটি লালিত।

৩.৩ সুভার সঙ্গে সর্বশী ও পাঙ্গুলির সম্পর্ক কী রকম ছিল?

উত্তরঃ- সর্বশী আর পাঙ্গুলি – সুভার দুই মুক বন্ধু। তারা দুটি গাভী। তারা সুভার মুখের কথা শোনেনি ঠিকই। কিন্তু সুভার পায়ের আওয়াজ চিনত। কখন সুভা তাদের আদর করছে, কখন বকছে, কখন অনুরোধ করছে তা তারা ভালোভাবে চুল বুঝতে পারত। সুভা দিনে নিয়মিত তিনবার গোয়ালে যেত। ঘরে কোনো খারাপ কথা শুনলে সে এসে এই দুই বন্ধুর সঙ্গে সময় কাটাত। গাভী দুটি সুভার হাতে শিং ঘষে ঘষে তাকে সান্ত্বনা দেবার চেষ্টা করত।

৩.৪ ‘এইজন্য প্রতাপ সুভার মর্যাদা বুঝিত’ – প্রতাপের কাছে সুভা কীভাবে মর্যাদা পেত, তা গল্প অবলম্বনে লেখো।

উত্তরঃ- প্রতাপের কাছে সুভা মর্যাদা পেত। কারণ সুভা কথা বলতে পারে না। প্রতাপ মাছ ধরত। মাছ ধরবার সময় কথা না বলা সঙ্গীই সর্বদা কাম্য। তাই প্রতাপের সুভাকে ভালো লাগত।

৩.৫ ‘তাহাদের জাতি ও পরকাল রক্ষা হইল’ — কাদের সম্পর্কে এ কথা লেখক বলেছেন? তাঁর এরূপ মন্তব্যের কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ- সুভার বাবা এবং মা-এর সম্পর্কে লেখক একথা বলেছেন। তৎকালের সামাজিক প্রথা অনুসারে কিশোরী  মেয়েকে বিয়ে না দেওয়া অবধি বাপ-মায়ের ধর্ম বা জাত রক্ষা হয় না। কিন্তু সুভা বোবা হবার ফলে তার বাপ মা তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। প্রতারণা করে একটি পারের হাতে বোবা মেয়েকে সমর্পণ করে তারা মনে করেছিলেন যে, তাদে জাতি ও পরকাল রক্ষা হলো।

৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখোঃ

৪.১ ‘প্রকৃতি যেন তাহার ভাষার অভাব পূরণ করিয়া দেয়’ – মানুষের ভাষার অভাব কীভাবে প্রকৃতি পূরণ করছে পারে তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ- প্রকৃতির ভাষা আছে। মানুষের ভাষার থেকে প্রকৃতির ভাষা মনে হয় অনেক বেশি স্পষ্ট। অনেক সমৃদ্ধ। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ছোটোগল্প জুড়ে এই প্রকৃতির ভাষাকে বারবার ফুটিয়ে তুলেছেন মানবিক সম্পর্ক বোঝানোর ক্ষেত্রে। ‘অতিথি’, ‘ছুটি, ‘পোস্টমাস্টার’, ‘একরাত্রি’ ইত্যাদি অজস্র গল্পেও প্রকৃতি ভাষাময় হয়ে উঠেছে। আলোচ্য সুভা গঙ্গেও প্রকৃতির অপূর্ব ব্যবহার আমরা পাই। এখানে সুভা এক মুক্ত কিশোরী। কিন্তু প্রকৃতিই যেন সুভার ভাষার অভাব পূরণ করে দেয়। সে প্রকৃতির রাজ্যে লালিত পালিত। সে নিজে কথা বলে না। কিন্তু সবই অনুভব করে। নদীর স্রোতের শব্দ, মানুষের কোলাহল, পাখির ডাক, তরুর মর্মর সুভার ভাষার অভাব পুরণ করে। তার বন্ধুরাও মুক্ত। তাদের সান্নিধ্যেও সুভার অপূর্ণতা পূর্ণ হয়ে ওঠে।

৪.২ সুভার সঙ্গে মনুষ্যেতর প্রাণীর বন্ধুত্ব কেমন ছিল তা লেখো।

উত্তরঃ- সুভার বন্ধু বলতে ছিল কয়েকটি মুক্ত প্রাণী — বাড়ির গাভী সর্বশী ও পাঙ্গুলি, ছাগল, বিড়ালশাবক ইত্যাদি। তারা সুভার নীরব ভাষা বুঝত, অনুভব করত। সুভার সাথে তাদের ভাবনার বিনিময় হত। সুভার দুঃখ, আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিষাদ সবই তারা চিনতে পারত। সুভার সান্নিধ্য চাইত ওই মুক প্রাণীগুলি, ভাষাময় পৃথিবী থেকে সুভা তাই এই ভাষাহীনের জগতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করত। এরাই হয়ে উঠেছিল নীরব সুভার অন্তরঙ্গ বন্ধু।

৪.৩ শুক্লা দ্বাদশীর রাত্রিতে সুভার মনের অবস্থা কেমন ছিল? তার মনের অবস্থা এরকম হওয়ার কারণ কী?

উত্তরঃ- শুক্লা দ্বাদশীর রাত্রে সুভা ভেঙে পড়েছিল অন্তর বেদনায়। গোয়ালঘরে বাল্যসঙ্গীদের থেকে বিদায় নিয়ে সে তার চিরপরিচিত নদীর তীরে কচি ঘাসের ওপর লুটিয়ে পড়ল, এই ধরণী তখন যেন সুভার কথা শুনতে পাচ্ছিল। সু যেন তাকে বলছিল ‘তুমি আমাকে যাইতে দিয়ো না মা, আমার মতো দুটি বাহু বাড়াইয়া তুমিও আমাকে ধরিয়া রাখে। তার বিয়ে ঠিক করেছিলেন বাণীকণ্ঠ। সেও একজন পায়ের সঙ্গে প্রতারণা করে। সুভাকে তাই একরকম জোর করে গ্রাম থেকে কলকাতায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। সুভা কিন্তু যেতে চায়নি তার এই প্রিয় প্রকৃতি ছেড়ে। তাই তার মনের অবস্থা এই রকম হয়েছিল।

৪. গল্পের একেবারে শেষ বাক্যটি গল্পের ক্ষেত্রে কতখানি প্রয়োজন আলোচনা করো।

উত্তরঃ- গল্পের শেষ বাক্যটি এই রকম— ‘এবার তাহার স্বামী চক্ষু এবং কর্ণেন্দ্রিয়ের দ্বারা পরীক্ষা করিয়া এক ভাষাবিশিষ্ট কন্যা বিবাহ করিয়া আনিল।’ অর্থাৎ, সুভার নীরবতার ভাষা তার স্বামী চিনতে পারেনি বা শুনতে পায়নি। আর তা শোনার কথাও নয়। সে বাণী শুনতে অন্য অনুভবের প্রয়োজন। যা সেই ভাষাবিশেষ স্বামীর ছিল না। তবে এটা ঠিকই যে সেই পাত্রটির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন সুভার বাবা বাণীকণ্ঠ। সুতা প্রকৃতির কন্যা। তার সঙ্গে কোনো সাধারণ মানুষের বৈবাহিক সম্পর্ক মানায় না। রবীন্দ্রনাথ তাই সুভার বিয়ে দিয়েও তাকে ফিরিয়ে দিলেন প্রকৃতির কোলে। সুভাও যেন প্রাণ ফিরে পেল ভাষাহীনের পৃথিবীতে। তাই এই শেষ বাক্যটি গল্পের অন্যতম প্রয়োজনীয় অংশ।

৪.৫ মানুষ ও মনুষ্যেতর প্রাণীর বন্ধুত্ব নিয়ে আরও দু একটি গল্প পড়ো এবং ‘সুভা’ গল্পটির সঙ্গে তুলনা করো।

উত্তরঃ- মানুষ ও মনুষ্যেতর প্রাণীর বন্ধুত্বের গল্পের কথা বললে সর্বাগ্রে মনে পড়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘মহেশ’ গল্পটি, যেখানে মহেশের সঙ্গে গফুরের প্রায় সন্তান আর পিতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। গফুরের পালিত গোরু মহেশ। সেখানে গফুর কথা বলতে পারলেও মহেশের সাথে তার কথা হত নীরবতার ভাষায়। মহেশও তা বুঝতে পারত। গল্পের মেয়েকে বিয়ে না দেওয়া অবধি বাপ-মায়ের ধর্ম বা জাত রক্ষা হয় না। কিন্তু সুভা বোবা হবার ফলে তার বাপ মা তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। প্রতারণা করে একটি পারের হাতে বোবা মেয়েকে সমর্পণ করে তারা মনে করেছিলেন যে, তাদের জাতি ও পরকাল রক্ষা হলো।

৫. নীচের বাক্যগুলিকে কর্তা-খণ্ড ও ক্রিয়া-খণ্ডে ভাগ করে দেখাওঃ

৫.১ সে নির্জন দ্বিপ্রহরের মতো শব্দহীন এবং সঙ্গীহীন।

উত্তরঃ- কর্তাখণ্ড – সে। ক্রিয়াখণ্ড – নির্জন দ্বিপ্রহরের মতো শব্দহীন এবং সঙ্গীহীন।

৫.২ সে যে কাজকর্ম করিয়া সংসারের উন্নতি করিতে যত্ন করিবে, বহু চেষ্টার পর বাপ-মা সে আশা ত্যাগ করিয়াছেন।

উত্তরঃ- কর্তাখণ্ড – সে যে কাজকর্ম করিয়া সংসারের উন্নতি করিতে যত্ন করিবে। ক্রিয়াখণ্ড – বহু চেষ্টার পর বাপ-মা সে আশা ত্যাগ করিয়াছেন।

৫.৩ এই বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ব আছে।

উত্তরঃ- কর্তাখণ্ড – এই বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে। ক্রিয়াখণ্ড – বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা স্বজন মহত্ব আছে।

৬. নির্দেশ অনুযায়ী বাক্য পরিবর্তন করোঃ

৬.১ সুভা তেঁতুলতলায় বসিয়া থাকিত এবং প্রতাপ অনতিদূরে মাটিতে ছিপ ফেলিয়া জলের দিকে চাহিয়া থাকিত। (জটিল বাক্যে)

উত্তরঃ- যখনই সুভা তেঁতুলতলায় বসিয়া থাকিত তখনই প্রতাপ অনতিদূরে মাটিতে ছিপ ফেলিয়া জলের দিকে চাহিয়া থাকিত।

৬.২ বাণীকণ্ঠ নিদ্রা হইতে উঠিয়া শয়নগৃহে তামাক খাইতেছিল। (জটিল বাক্যে)

উত্তরঃ- যখন বাণীকণ্ঠ নিদ্রা হইতে উঠিল তখন শয়নগৃহে তামাক খাইতে ছিল।

৬.৩ বাণীকণ্ঠের ঘর একেবারে নদীর উপরেই। তাহার বাখারির বেড়া, আটচালা, গোয়ালঘর, ঢেঁকিশালা, খড়ের স্তূপ, তেঁতুলতলা, আম, কাঠাল এবং কলার বাগান নৌকোবাহী মাত্রেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। (একটি জটিল বাক্যে পরিণত করো।)

উত্তরঃ- যেহেতু বাণীকন্ঠের ঘর একেবারে নদীর উপরেই তাই তার বাখারির বেড়া, আটচালা, গোয়ালঘর, ঢেঁকিশালা, খড়ের স্তুপ, তেঁতুলতলা, আম, কাঠাল এবং কলার বাগান নৌকাবাহী মাত্রেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

৬.৪ প্রকৃতি যেন তাহার ভাষার অভাব পূরণ করিয়া দেয়। যেন তাহার হইয়া কথা কয়।(একটি সরল বাক্যে পরিণত করো)

উত্তরঃ- প্রকৃতি তাহার হইয়া কথা বলিয়া তাহার ভাষার অভাব পূরণ করে।

৭. শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

৭.১ উত্তরঃ–   

ভব = অনুভব,
মান = অনুমান,
রোধ = অনুরোধ,
যোগ = অনুযোগ

৭.২ উত্তরঃ-    প্রকাশ = প্রকাশ

দীপ – প্রদীপ

মাণ = প্রমাণ।

৭.৩ উত্তরঃ- দিগ্‌বিদিক = দিক্ + বিদিক।

৭.৪ উত্তরঃ- গের্ + অস্ত > গেরস্ত।

৭.৫ উত্তরঃ- পঞ্জিকা > পম্ + জিকা।

 

অতিরিক্ত প্রশ্ন-উত্তর

১. সুভার বাবা-মা তার দুই মেয়েকে বিবাহ দিয়েছে কিভাবে?

উত্তরঃ- সুভার বাবা-মা তার দুই মেয়েকে বিবাহ দিয়েছে দস্তুরমত অনুসন্ধান করে এবং প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।

২. সুভার সাক্ষাতেই সকলে সুভার কোন বিষয় সম্বন্ধে দুশ্চিন্তা করত?

উত্তরঃ- সুভার সাক্ষাতেই সকলে সুভার ভবিষ্যত সম্বন্ধে দুশ্চিন্তা করত।

৩. সুভার কোনটি ভাবের আভাসমাত্র কচি কিশলয়ের মতো কাঁপিয়ে ওঠে?

উত্তরঃ- সুভার ঠোঁট ভাবের আভাসমাত্র কচি কিশলয়ের মতো কাঁপিয়ে ওঠে।

৪. সুভা গল্পের নদী সম্পর্কে কোন কথাটি বলা হয়েছে?

উত্তরঃ- সুভা গল্পে নদী সম্পর্কে বলা হয়েছে – বাংলাদেশের একটি ছোটো নদী ও বহুদূর পর্যন্ত তাহার প্রসার নহে।

৫. কোনটি সুভার ভাষার অভাব পূরণ করে দেয়?

উত্তরঃ- প্রকৃতি সুভার ভাষার অভাব পূরণ করে দেয়।

৬. সুভা বিপুল নির্বাক প্রকৃতির কাছে এসে কিসের আনন্দ পায়?

উত্তরঃ- সুভা বিপুল নির্বাক প্রকৃতির কাছে মুক্তির আনন্দ পায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top