Class 8 Bengali chapter 34 টিকিটের অ্যালবাম

টিকিটের অ্যালবাম – সুন্দর রামস্বামী

লেখক পরিচিতি

আধুনিক তামিল সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান লেখক সুন্দর রামস্বামী। তিনি কালাচুবাড়ু নামক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। সাহিত্যক্ষেত্রে তিনি সুরা নামে সমধিক প্রসিদ্ধ এবং তাঁর ছদ্মনাম পদুবিয়া। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ওরু পুলিয়া মারাথিন কথাই (একটি তেঁতুলগাছের গল্প), পেনকল, আনকল (শিশু, নারী পুরুষ)।

 

সারাংশ

রাজাপ্পার হঠাৎ করে জনপ্রিয়তা কমে গেছে ।ক্লাস এর সবাই এর নাগরাজনের টিকিট অ্যালবাম এর প্রতি খুব আগ্রহ হয়েছে।মৌমাছির মধু সংগ্রহের মতো ক্লাস এর সবাই নাগরাজন এর টিকিট এর অ্যালবাম চোখ দিয়ে গিলে খায় ।নাগরাজন নিজের কলের উপর অ্যালবামটি রাখে আর সবাই দেখে ।মাঝে মাঝে মেয়েরাও অ্যালবামটি দেখতে চায়।নাগরাজন তাদেরকেও দেখায়।রাজাপ্পার তাদের দিকে তাকেইয়ে ও দেখে না।হয়তো অ্যালবাম টি আড়ালে তাকিয়ে দেখে এটা সত্যি।রাজাপ্পার অ্যালবামটি তার কাকা এনে দিয়েছিল।অ্যালবাম এর উপর এ রাজাপ্পার নাম লেখা ছিলো।আসতে আসতে রাজাপ্পার থেকে সবাই দূরে সরে যেতে লাগলো।রাজাপ্পার মন দুর্বিসহ হয়ে উঠতে লাগলো।রাজাপ্পা ঠিক করলো নাগরাজনের থেকে বেশি দামের টিকিট নিয়ে কম দামের টিকিট দেবে।এই ভাবনা নিয়ে রাজ্জাপ্পা নাগরাজন এর বাড়ি যায়।গিয়ে দেখে নাগরাজন আর আপ্পু শহরে গেছে।নাগরাজন এর বোন রাজাপ্পা কে বসতে বলে ।রাজাপ্পা নাগরাজন এর ড্রয়ার থেকে নাগরাজন এর অ্যালবামটি দেখে নিয়ে চলে আসে।তার রাতে ঘুম হয় না।পরের দিন আপ্পু তাদের বাড়ি আসে।এবং বলে যে নাগরাজন অ্যালবামটি পাচ্ছে আর তার বাবা পুলিশ এ খবর দেবে।সেই ভয়ে রাজাপ্পা গুটিয়ে থাকে ।তারপর নাগরাজন রাজাপ্পাদের বাড়ি আসে অ্যালবামটির কথা জিজ্ঞাসা করতে।তখন রাজাপ্পার খুব কষ্ট হলেও সে নাগরাজন এর কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মন না চাইলে ও নিজের অ্যালবামটি নাগরাজনকে দিয়ে দেয়|

 

হাতে কলমে

১.১ সুন্দর রামস্বামী কোন ভাষার লেখক?

উত্তর- সুন্দর রামস্বামী তামিল ভাষার লেখক।

১.২ তিনি কোন ছদ্মনামে লিখতেন?

 উত্তর- তিনি ‘পদুবিয়া’ ছদ্মনামে লিখতেন।

২. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও :

২.১ ‘টিকিটের অ্যালবাম’ গল্পের লেখক কে?

উত্তর- ‘টিকিটের অ্যালবাম’ গল্পের লেখক সুন্দর রামস্বামী।

২.২ মূল গল্পটি কোন ভাষায় রচিত?

উত্তর- মূল গল্পটি তামিল ভাষায় রচিত।

২.৩ গল্পটিতে মোট কটি চরিত্রের দেখা পাওয়া যায়?

 উত্তর- গল্পটিতে মোট ১০টি চরিত্রের দেখা পাওয়া যায়।

২.৪ মেয়েদের পক্ষ থেকে কে নাগরাজনের থেকে অ্যালবামটি চেয়ে নিয়ে যেত?

উত্তর- মেয়েদের পক্ষ থেকে পার্বতী নাগরাজনের থেকে অ্যালবামটি চেয়ে নিয়ে যেত।

২.৫ রাজাপ্পা কীভাবে তার অমূল্য ডাকটিকিটগুলো সংগ্রহ করত?

উত্তর- রাজাপ্পা কম গুরুত্বপূর্ণ বেশি টিকিটের বিনিময়ে অমূল্য ডাকটিকিটগুলো সংগ্রহ করত।

২.৬ নাগরাজনের অ্যালবামটি তাকে কে উপহার দিয়েছিলেন?

 উত্তর- নাগরাজনের অ্যালবামটি তাকে তার সিঙ্গাপুরের কাকা উপহার দিয়েছিলেন।

২.৭ সেই অ্যালবামের প্রথম পাতায় কী লেখা ছিল?

উত্তর- সেই অ্যালবামের প্রথম পাতায় লেখা ছিল-মালিকের নাম—এস. নাগরাজন।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

৩.১ নাগরাজনের অ্যালবামের প্রতি সকলে আকৃষ্ট হয়ে পড়ল কেন?

উত্তর- নাগরাজনের অ্যালবামের প্রতি সকলে আকৃষ্ট হলো তার কারণ সে সেটা সবাইকে দেখতে দিত। স্কুল বসার আগে, টিফিনের সময় এমনকি স্কুলের পর পার্বতী মেয়েদের পক্ষ থেকে অ্যালবামটা চেয়ে নিয়ে দেখে সন্ধ্যায় ফিরিয়ে দিত। নাগরাজনের কাকা সিঙ্গাপুর থেকে অ্যালবামটা তার ভাইপোকে দিয়েছিলেন, তাই সেটা খুব সুন্দর ছিল। এই সব কারণেই ক্লাসের সকলে নাগরাজনের অ্যালবামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছিল।

৩.২ ‘কেটে পড় হিংসুটে পোকা।’—বক্তা কে? কাকে সে এমন কথা বলেছে?

উত্তর– আলোচ্য অংশটির বক্তা রাজাপ্পা ও নাগরাজনের সহপাঠী কৃয়াণ। সে তার সহপাঠী রাজাপ্পাকে একথা বলেছিল।

৩.৩ ‘এদের সঙ্গে তর্ক করে লাভ নেই।’—উপলব্ধিটি কার? কী বিষয়ে তর্কের প্রসঙ্গ এসেছে? তর্ক করে লাভ নেই কেন?

উত্তর- আলোচ্য অংশে বর্ণিত উপলখিটি রাজাপ্পার। রাজ্যপ্পার একটি ডাকটিকিটের অ্যালবাম ছিল। এককালে সেটি খুবই জনপ্রিয় ছিল। পরে নাগরাজনের সিঙ্গাপুর প্রবাসী কাকা একটি অ্যালবাম পাঠান। কার অ্যালবামটি সুন্দরতর এ বিষয়েই তর্কের প্রসঙ্গ এসেছে। রাজাপ্পা উপলব্ধি করেছিল যে তর্ক করে লাভ নেই কারণ তার সহপাঠীরা নাগরাজনের বিদেশি অ্যালবামের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে।

 ৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।

৪.১ ‘হঠাৎ যেন ওর জনপ্রিয়তা কমে গেছে –কার এমন মনে হয়েছে? এই জনপ্রিয়তা’ হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণ

উত্তর- সুন্দর রামস্বামীর ‘টিকিটের অ্যালবাম’ গল্পে রাজামার মনে হয়েছিল যে তার জনপ্রিয়তা হঠাৎ কমে গেছে। রাজামার সহপাঠী নাগরাজনের সিঙ্গাপুরবাসী কাকা নাগরাজনকে একটি সুন্দর অ্যালবাম পাঠিয়েছিলেন। ছেলেরা সেই অ্যালবামটা দেখার জন্য নাগরাজনের কাছে ভিড় করত। এমনকি মেয়েরাও অ্যালবামটা দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করত। রাজাপ্পার অ্যালবামটি জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে পড়ায় রাজাপ্পা বোধ করেছিল যে হঠাৎ তার জনপ্রিয়তায় ভাটার টান দেখা দিয়েছে।

৪.২ ‘কেউ রাজাপ্পার অ্যালবামের কথা উল্লেখও করত না, বা তাঁকে পাত্তাও দিত না’—সকলের এমন আচরণের কারণ গল্প অনুসরণে আলোচনা করো।

 উত্তর- রাজাব্বার একটি সুন্দর অ্যালবাম ছিল। সে অত্যন্ত কষ্ট করে নানারকমের টিকিট সংগ্রহ। তার বড়ো অ্যালবামটি সাজিয়েছিল। তার অ্যালবামটির একসময় অত্যন্ত জনপ্রিয়তা ছিল। কিন্তু নাগরাজনের সিঙ্গাপুরবাসী কাকার প্রেরিত অ্যালবামটি অত্যন্ত সুন্দর ছিল এবং সে সবাইকে সেটা দেখতে দিত। এমনকি মেয়েরাও মলাট দেওয়া সেই অ্যালবাম দেখার জন্য বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দেখে ফেরত দিত। নাগরাজনের সুন্দর বিদেশি অ্যালবাম এবং তার ব্যবহার রাজাপ্পার অ্যালবামের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার কারণ ছিল।

৪.৩ স্কুলের ছেলেমেয়েদের নাগরাজন কীভাবে তার নিজের অ্যালবামটি দেখতে দিত?

উত্তর- ক্লাসের ছেলেরা নাগরাজনকে ঘিরে ধরে অ্যালবামটা চোখ দিয়ে গিলে খেত। সকালের স্কুলের ঘণ্টা পড়া পর্যন্ত, দুপুরে খাবার ঘন্টা পড়ার পরেও সবাই ওর চারপাশে ঘোরাঘুরি করত আর সন্ধ্যাবেলা ওর বাড়ি পর্যন্ত চলে যেত। নাগরাজনও ধৈর্যসহকারে নিজের কাছে অ্যালবামটা রেখে পাতা উল্টিয়ে সবাইকে দেখাত। মেয়েরাও তার অ্যালবামটা দেখতে চাইত। ডানপিটে পার্বতী মেয়েদের নাম করে চাইলে নাগরাজন মলাট লাগিয়ে অ্যালবামটা তাকে দিত এবং সব মেয়েদের দেখা শেষ হলে সন্ধ্যাবেলা তাকে অ্যালবামটা ফিরিয়ে দিত। এমনিভাবেই নাগরাজন স্কুলের সব ছেলেমেয়েকে তার অ্যালবামটা দেখতে দিত।

৪.৪ ডাকটিকিট সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে রাজাপ্পার তীব্র আকর্ষণের যে পরিচয় গল্পে রয়েছে তা আলোচনা করো।

উত্তর- মৌমাছিদের মধুসংগ্রহের মতো কষ্টসহকারে রাজাপ্পা টিকিট জোগাড় করত। ভোরবেলায় সে অন্যান্য টিকিট সংগ্রাহকদের কাছে গিয়ে একটা রাশিয়ার টিকিটের সঙ্গে দুটো পাকিস্তানী টিকিটের বিনিময় করত। স্কুলের ছুটির পর বইখাতা এককোণে রেখে, জলখাবার প্যান্টের পকেটে নিয়ে, দ্রুত এককাপ কফি গিলে বেরিয়ে পড়ত। চার মাইল দূরে থাকা একটা ছেলের কাছ থেকে কানাডার টিকিট সংগ্রহ করত। এমনি করেই রাজাপ্পা ক্লাসের সবথেকে বড়ো তার অ্যালবামটা ভরিয়ে তুলত।

৪.৫ ‘চোরা দৃষ্টিতে অ্যালবামটা দেখত।’—সেই চোরাদৃষ্টিতে দেখা অ্যালবামটির কোন বিশেষত্বের কথা গল্পে রয়েছে?

 উত্তর- রাজাপ্পা প্রকাশ্যে নাগরাজনের অ্যালবামের দিকে না তাকালেও চোরাদৃষ্টিতে অ্যালবামটার দিকে তাকাত। নাগরাজনের অ্যালবামটি ছিল অত্যন্ত সুন্দর। হয়তো রাজাপ্পার মতো বেশি টিকিট বা বড়ো ছিল না অ্যালবামটি কিন্তু তা ছিল অদ্বিতীয়। স্থানীয় কোনো দোকানে এ জাতীয় অ্যালবাম মিলত না। নাগরাজনের কাকা যত্নসহকারে মোটা অক্ষরে ভাইপোর নাম সেখানে লিখে দিয়েছিলেন। সেখানে চোরদের প্রতি সতর্কবার্তা ছিল। তার সেই সতর্কবানী ছেলেরা ও মেয়েরা তাদের খাতায় টুকে নিয়েছিল। এ গল্পে নাগরাজনের অ্যালবামের এই বিশেষত্বের কথাই বলা হয়েছে।।

৪.৬ নাগরাজনের প্রতি রাজাপ্পা কীভাবে ক্রমশ ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছিল?

উত্তর- দীর্ঘদিন রাজাপ্পার অ্যালবামের একাধিপত্যের পর নাগরাজনের কাকার দেওয়া বিদেশি অ্যালবাম ক্লাসের সকলের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় রাজাপ্পা ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছিল। হঠাৎ জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় রাজাপ্পা অন্তরে খাক হয়ে যেতে থাকল। ধীরে ধীরে তার স্কুলে যেতেও অনীহা জাগল। তার নিজের অ্যালবামের প্রতি তার বিতৃয়া জন্মাল। এর ফলে তার প্রিয় অ্যালবামটিকে সে গত দুদিন স্পর্শ পর্যন্ত করল না। ওটা দেখলে তার রাগ জন্মাত এবং সে নিজের অ্যালবামটাকে ছেঁড়া ন্যাকড়া বলে মনে করত।

৪.৭ সন্ধ্যাবেলা রাজাপ্পা নাগরাজনের বাড়ি গেল’।—কোন উদ্দেশ্য নিয়ে রাজাপ্পা নাগরাজনের বাড়িতে গিয়েছিল ? এর মধ্য দিয়ে তার চরিত্রের কোন দিকটি ধরা পড়ে?

 উত্তর- ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজাপ্পা সন্ধ্যাবেলায় নাগরাজনের বাড়িতে গিয়েছিল তার সুন্দর বিদেশি অ্যালবামটি চুরি করার অভিপ্রায়ে, যাতে নাগরাজনকে জনপ্রিয়তায় পরাস্ত করা যায়। নাগরাজনের বাড়িতে রাজাপ্পার যাওয়া মূলত তার প্রতি ঈর্ষাবশত তাকে বিপদে ফেলার জন্য। এই যাওয়ার মাধ্যমে আমরা রাজাপ্পার চরিত্রে ঈর্ষাপরায়ণতা এবং নীচতার পরিচয় পাই। কাপুরুষের মতো সে অসদুপায়ে নাগরাজনকে পরাস্ত করতে চেয়েছিল তার জনপ্রিয়তায়।

৪.৮ ‘রাজাপ্পার চোখ জলে ভরে গেল—কোন পরিস্থিতিতে রাজাপ্পার চোখ জলে ভরে উঠল?

উত্তর- হারিয়ে যাওয়া বিদেশি অ্যালবামের খোঁজে নাগরাজন রাজাপ্পার বাড়ি এল। চুরির ফলে রাজাপ্পা অনুশোচনাগ্রস্ত হয়ে পুলিশের ভয় থেকে বাঁচতে চানের জলগরম করার বড়ো উনুনে সে বিদেশি অ্যালবামটিকে ফেলে দেয়। আগুনে পুড়ে অমূল্য সব টিকিট ছাই হয়ে যায়। তখনই রাজাপ্পার চোখ জলে ভরে ওঠে, কৃতকার্যের জন্য অনুশোচনার অনলে দগ্ধ ও ক্ষতবিক্ষত হয়ে।

৪.৯ ‘নাগরাজন হতবুদ্ধি হয়ে গেল’—তার হতবুদ্ধি হয়ে পড়ার কারণ কী?

উত্তর- রাজাপ্পা তার কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনাগ্রস্ত হয়ে তার নিজের অ্যালবামটি নাগরাজনকে দিতে চাইল এবং তার হাতে নিজের প্রিয় অ্যালবামটা তুলে দিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল। ঘটনার আকস্মিকতায় নাগরাজন হতবুদ্ধি হয়ে গেল এবং রাজাপ্পা জামার প্রান্ত দিয়ে চোখের জল মুছতে লাগল।

৪.১০ ‘কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার আগুনে দগ্ধ হয়েই‘টিকিটের অ্যালবাম গল্পে রাজাপ্পার আত্মশুদ্ধি ঘটেছে— গল্পঘটনা বিশ্লেষণ করে উদ্ধৃতিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।

উত্তর- রাজাপ্পা সহপাঠী নাগরাজনের সুন্দর বিদেশি অ্যালবামটি চুরি করে ঈর্ষাবশত। পরে পারিপার্শ্বিক অবস্থান, নাগরাজনের পুলিশ কর্মচারী পিতার জন্য ভয় এবং নাগরাজনের ক্রন্দনরত অবস্থা দেখে তার চিত্তে অনুশোচনার সৃষ্টি হয়। সে মনে মনে ভাবে তার অ্যালবামটি চুরি করা অনুচিত হয়েছে। ঈর্ষার বশে, সাময়িক উত্তেজনায় তার অ্যালবাম চুরি করা অনুচিত হয়েছে একথা সে বুঝতে পারে। ফলে সে নিজের মনে অনুশোচনার অনলে দগ্ধ হতে থাকে। কৃতকার্যের পাপ স্খালন করার জন্য সে নিজের প্রিয় অ্যালবামটি তাকে উপহার দিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে। এমনিভাবে কৃত পাপকর্মের অগ্নিতে দগ্ধ হয়ে সে তার নিজের অ্যালবাম নাগরাজনের হাতে তুলে দিয়ে আত্মশুদ্ধি ঘটায়। সুতরাং, আলোচ্য উক্তিটি যথার্থ ও ন্যায়সঙ্গত।

 

অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর

১. নাগরাজনের কাকা কোথা থেকে তার জন্য অ্যালবামটি পাঠিয়েছিলেন ?

উত্তর- নাগরাজনের কাকা সিঙ্গাপুর থেকে তার জন্য টিকিটের অ্যালবামটি পাঠিয়েছিলেন |

২. অ্যালবামের প্রথম পাতায় কি লেখা ছিল?

উত্তর- অ্যালবামের প্রথম পাতায় বড় বড় করে এস. নাগরাজন লেখা ছিল |

৩. নাগরাজনের জন্য কার জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছিল ?

উত্তর-  নাগরাজনের জন্য রাজাপ্পার জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছিল |

৪. কৃষ্ণান ঠাট্টা করে কি বলেছিল?

উত্তর-  কৃষ্ণান রাজাপ্পা কে বলেছিল তার অ্যালবামটা ডাস্টবিনে রাখার যোগ্য

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top